শিশুখাদ্য আমদানির ক্ষেত্রে এলসি (লেটার অব ক্রেডিট) মার্জিন শিথিল করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। ফলে এলসি মার্জিন ব্যাংক ও গ্রাহকের পারস্পরিক সম্পর্কের ভিত্তিতে নির্ধারিত হবে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক গতকাল একটি সার্কুলার জারি করে এ নির্দেশনা অবিলম্বে কার্যকর করার জন্য সব ব্যাংককে নির্দেশ দিয়েছে।
এর আগে ২০২৪ সালের ৫ সেপ্টেম্বর জারি করা বাংলাদেশ ব্যাংকের এক সার্কুলারে বলা হয়েছিল, বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোকে কিছু নির্দিষ্ট পণ্যের আমদানি এলসি খুলতে ১০০ শতাংশ বা শতভাগ নগদ মার্জিন বজায় রাখতে হবে। এসব পণ্যের মধ্যে ছিল অ-শস্য খাদ্যপণ্য, প্রক্রিয়াজাত খাদ্যদ্রব্য ও পানীয় যেমন টিনজাত (ক্যান) খাদ্য, চকলেট, বিস্কুট, জুস, কফি ও কোমল পানীয়।
কিন্তু সম্প্রতি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নজরে আসে, কিছু ব্যাংক পূর্ববর্তী নির্দেশনার ভুল ব্যাখ্যা করে অপরিহার্য শিশুখাদ্যকেও ১০০ শতাংশ নগদ মার্জিনের আওতায় নিচ্ছে ও সংশ্লিষ্ট আমদানিকারকদের ওপর এ বাধ্যবাধকতা আরোপ করছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে নতুন নির্দেশনায় স্পষ্ট করা হয়েছে যে শিশুখাদ্য আমদানির ক্ষেত্রে এলসি মার্জিন এখন ব্যাংক ও গ্রাহকের পারস্পরিক সম্পর্কের ওপর ভিত্তি করে নির্ধারিত হবে। ব্যাংক কোম্পানি আইন, ১৯৯১-এর ২৯ ধারার ক্ষমতাবলে নির্দেশনাটি জারি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।